ফেসবুকে মিথ্যা স্ট্যাটাস ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক

print news

আমি হাফিজুর রহমান, পিতা— আবুসাঈদ কাঁইয়া। আমাদের পরিবারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালানো অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম ফকির তার ফেসবুক আইডি থেকে আমার পরিবারকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাস দিয়ে জনমনে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন।

গত ১৮ মার্চ রাত আনুমানিক ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিটের দিকে আমার বড় জেঠা আবুল হোসেনের বাড়িতে ডাকাতি ও জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। ডাকাতদের অবস্থান টের পেয়ে জেঠা আবুল হোসেন ও জেঠাত ভাই মনির হোসেন ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করলে বেশিরভাগ লোক অন্ধকারে পালিয়ে যায়। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা কাঠমিস্ত্রি রফিকুল ইসলাম হাতে থাকা সাঁফা/সফা দিয়ে আক্রমণের চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে নিজের হাতের সাঁফা তার পায়েই আঘাত করে। পরবর্তীতে বিষয়টি আমরা জেঠাত ভাই মনির হোসেনের কাছ থেকে নিশ্চিত হই।

পরে এঘটনায় গত ১৯/০৩/২০২৫ ইং তারিখে জয়দেবপুর থানায় ডাকাতি ও জমি জবরদখলের ঘটনায় সম্পৃক্ত—সোহেল রানা, জৈনউদ্দিন, আছান, মঞ্জুরুল আলম সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১৫ জনকে আসামি করে ডাকাতি মামলা এজাহারভুক্ত হয়।

মামলার পর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নিতে এবং ডাকাতি ও জমি দখলের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মঞ্জুরুল আলম ফকির—আমার বড় ভাই মোঃ সাদিকুল ইসলামের নাম ব্যবহার করে, ২৩/০৩/২৬ ও ২৪/০৩/২৬ তারিখে দুই দিন ধরে, আহত কাঠমিস্ত্রি রফিকুলের ভিডিও ধারণ করে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে মিথ্যা তথ্য সম্বলিত স্ট্যাটাস দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। আসলে ভিডিওতে দেখানো রফিকুলই ডাকাতি চেষ্টার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, এবং ধস্তাধস্তির সময় নিজের সাঁফা থেকেই তার পায়ে আঘাত লাগে। কিন্তু এ ঘটনাকে বিকৃত করে আমাদের পরিবারকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়িয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তাই আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরনের মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জোর দাবি জানাচ্ছি।