ঈদ বাজার বেনাপোলে চাহিদার শীর্ষে সুতি পাঞ্জাবি

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক

print news

মনির হোসেন, বেনাপোল: শুধু ঈদ নয়, বছরজুড়েই বিভিন্ন বিশেষ দিনে এখন পাঞ্জাবি পরার চল। বসন্ত, বৈশাখ, বিয়ের দাওয়াত তো বটেই। কিন্তু এ পোশাক কেনার জন্য সাধারণত দুই ঈদকেই বেছে নেন ক্রেতারা। এবারের ঈদের হালকা রঙ ও কম কাজ করা সুতি পাঞ্জাবির চাহিদা বেশি।

সোমবার সরেজমিনে যশোরর বেনাপোল বাজারে পাঞ্জাবির দোকানে গিয়ে দেখা যায় ঈদকে ঘিরে পাঞ্জাবির চাহিদা বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান,এবারের ঈদ গরমকালে হওয়ায় আরামদায়ক সুতি পাঞ্জাবির চাহিদা বেড়েছে। পাশাপাশি, প্রিন্ট ও স্ট্রাইপের পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে বাজারে।অন্য রঙগুলোর মধ্যে হালকা বেগুনি, ছাই ও নীল রঙের পাঞ্জাবির চাহিদা রয়েছে। পাঞ্জাবির পাশাপাশি পাজামাও বেশ বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।

ইয়ানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, ঈদে পুরুষের প্রথম পছন্দ থাকে পাঞ্জাবি। ঈদের নামাজ থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজনের বাসায় বেড়াতে যাওয়াসহ সবখানেই পাঞ্জাবি যেন অত্যাবশ্যক হয়ে উঠেছে।বাবলু রহমান বাবু নামের এক ক্রেতা বলেন, ঈদে অন্যান্য পোশাক কিনলেও পাঞ্জাবি কিনবই। গরমে ঈদ হবে, এজন্য সাদা হালকা কাজ করা সুতির পাঞ্জাবি কিনেছি। নিত্য হাট, নিত্য সাজ বিক্রয় কর্মী আব্দুর রাজ্জাক বলেন ,গরমের কারণে এবার সুতি কাপড়ে তৈরি পাঞ্জাবির সংগ্রহ বেশি এসেছে।

তিনি আরও বলেন, এবার এক রঙের কাপড়ে হাতা ও গলায় কাজ করা পাঞ্জাবির সংখ্যা বেশি। সাদা কাপড়ে সাদা সুতায় নকশা করা পাঞ্জাবিও আছে। বিশেষ করে মধ্যবয়সীদের এ ধরনের পাঞ্জাবিতে আগ্রহ বেশি। রেডিমেটের পাশাপাশি অনেকে পাঞ্জাবি তৈরি করে পরেন। টেইলার্সগুলোতেও তাই করিগরদের পাঞ্জাবি তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। নূর শপিং কমপ্লেক্স সুমন গার্মেন্টস, প্রোপাইটর

আবু সাঈদ বকুল বলেন, এবারের ঈদ গরমে হওয়ায় সুতির পাঞ্জাবির চাহিদা বেশি। আরামদায়ক বলে ক্রেতারা এটাই বেছে নিচ্ছেন। যশোরের শার্শা উপজেলায় বাজারে বিভিন্ন রঙ ও ডিজাইনের সুতির পাঞ্জাবি ৭শ’থেকে ৩ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কারুকাজ করা শর্ট পাঞ্জাবি ও লং পাঞ্জাবি ৯শ’ থেকে ২ হাজার , মটকা ও সিল্কের পাঞ্জাবি ২ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *