মানবতার ফেরিওয়ালা বাহরাইন প্রবাসী শেখ সোহেল

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক

print news

স্টাফ রিপোর্টার: “মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা নামে খ্যাত বাহরাইন প্রবাসী শেখ সোহেল। তিনি বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ, খাদ্য সামগ্রী এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করে চলেছেন।

কাওরাইদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের পাশাপাশি রোগাক্রান্তদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন তিনি। সরেজমিনে কয়েকজন হতদরিদ্র মানুষের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, যাদের দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা হয় না, তাদের জন্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন শেখ সোহেল, তা-ও নীরবে এবং প্রচারবিমুখ থেকে।

মোবাইল ফোনে প্রবাসী শেখ সোহেল জানান, “দেশের যেকোনো পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে আমি আমার দায়িত্ব মনে করি। ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছি, দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের সংগ্রাম। সেই সংগ্রামটায় আমি অসহায়দের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু খাদ্য সামগ্রী নয়, অসহায় রোগীদের মাঝে নগদ অর্থ, চিকিৎসা সামগ্রী, শীতবস্ত্র, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক কাজে এগিয়ে আসি। যতদিন অসহায়দের পেটে ক্ষুধা থাকবে, তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব। তাদের তৃপ্তির হাসি আমার জন্য কোটি টাকার সমান। অসহায় মানুষের মুখে হাসি দেখার আনন্দ আমি কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করতে পারি না।”

শ্রীপুরের কাওরাইদ ইউনিয়নের বেলদিয়া গ্রামের বাসিন্দা শেখ সোহেল ছিলেন কাওরাইদ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক এবং থানা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তিনি স্বৈরাচারী আওয়ামী মদদপুষ্ট লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে জীবন যাপন করছেন।

কাওরাইদ ইউনিয়ন বিএনপির এক কর্মী জানান, “দেশের যেকোনো দুর্যোগে প্রবাসে থেকেও শেখ সোহেল দেশের মানুষের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তিনি কাওরাইদ ইউনিয়নের যুবসমাজের কাছে যুবসম্রাট হিসেবে পরিচিত।”

তিনি আরও বলেন, “সাবেক ছাত্রদল নেতারা দেশে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কারণে তাদের পরিবারের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। এসব প্রবাসী যোদ্ধারা দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে একটি ৫ আগস্ট তৈরি করেছেন। তাদের অবদান আমরা কখনো ভুলতে পারি না। তাদের অবদান আমাদের সর্বদা স্মরণ রাখতে হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *