
হোসেনপুর প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আমন ধান কাটা ও মাড়িয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। দানের উৎপাদন ভালো হওয়ায় এবং বাজারের দাম ভালো থাকাই খুশি কৃষকরা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কেটে রাখা সোনালী রঙ্গের দ্বারা। ধান কেটে আঁটি বেদে সপ্তাহখানে খোলা মাঠে ফেলে রাখছেন কৃষকরা। দূর থেকে দেখতে যে কারোরই মনে হবে মাঠে যেন সোনা ছড়িয়ে রয়েছে। কৃষকরা ধানের সঙ্গে খড় শুকিয়ে তা বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে।
চলতি আমন মৌসুমে বর্ষার পানি পর্যাপ্ত থাকায় ফলন ভালো হয়েছে । কৃষকের ধান কাটা ও মাড়াইয়ে বিঘা প্রতি খরচ হচ্ছ চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা।
যদিও এখন ধানের দাম বাজারে অনেক ভালো তাই লাভের মুখ দেখবেন আমন চাষিরা। উপজেলার পুমদী ইউনিয়নের জগদল গ্রামের কৃষক নিজামুদ্দিন বলেন, এবার আমি চার বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছি আর্সানরূপ ফলন হয়েছে। বর্ষার পানির উপর নির্ভর করে আমন ধান চাষ করা হয়। আমন মৌসুমে বর্ষার পানি পর্যন্ত পাইছি। আল্লাহ দিলে ফলন ভালো হয়েছে।
ডাংরি গ্রামের কৃষক উজ্জল মিয়া বলেন, এক বিঘা জমি চাষ করেই আমার সংসার চলে ছেলে-মেয়ে নেই, দুই জনের সংসার আমার জমিতে সবচেয়ে ভালো ধান হয়েছে। সামান্য জমি আমরা স্বামী-স্ত্রী মিলে চাষাবাদের কাজ করি। ধান কাটছি, এখন আলু চাষ করবো। আশা করি ১৮ থেকে ২০ মণ ধান পাবো।
ধান কাটার শ্রমিকরা জানান, ধান কাটার সময় এবার বর্ষা নেই ফলে মাঠে কোন পানি নেই আমাদের ধান কাটতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আমরা ৮ জন এক সঙ্গে ধান কাটছি। ধান কাটা-মাড়াইতে বিঘাপ্রতি (৪০০০)৷ থেকে (৪৫০০) হাজার টাকা নিচ্ছি। দিনে দেড় থেকে দুই বিঘা জমির ধান কাটতে পারছি।
এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম শাহজাহান কবির জানান,উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন মিলে ৮ হাজার চারশত ৭৬ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান রোপণ করা হয়েছে।আমন ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। আশা করছি কৃষক তাদের কাঙ্খিত ফলন সময় মতো ঘরে তুলবেন
- Latest Posts by বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক
-
মার্সেল ফ্রিজ কিনেই ৫০ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার, উচ্ছ্বসিত মির্জাপুরের দিপঙ্কর
- -
বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগ প্রত্যাহারের দাবিতে গাকৃবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন, প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ
- -
গাকৃবিতে বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে গাকৃবি শিক্ষক সমিতির বিবৃতি
- All Posts
