
গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারডিউ বিশ্ববিদ্যালয় ফোর্ট ওয়েন এবং অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন পারডিউ বিশ্ববিদ্যালয় ফোর্ট ওয়েনের অধ্যাপক ড. আহমেদ মুস্তফা এবং অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সহকারী অধ্যাপক টিমোথি জে. ব্রুস। ড. আহমেদ মুস্তফার সার্বিক সহযোগিতায় এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হক, ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড অ্যাকুয়াটিক এনভায়রনমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. রফিকুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহিম রশিদ এবং ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতের শুরুতে অতিথিদের আন্তরিক অভ্যর্থনা জানিয়ে পারস্পরিক কুশল বিনিময় করা হয়। পরে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সামগ্রিক অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা মূল্যায়নকারী সংস্থার বিভিন্ন র্যাঙ্কিংয়ে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমৃদ্ধ ইতিহাস, গবেষণায় অর্জিত সাফল্য, কৃষি ও মৎস্য খাতে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি এবং কৃষকবান্ধব নতুন জাত উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
আলোচনায় শিক্ষা ও গবেষণায় যৌথ উদ্যোগ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং আধুনিক কৃষি ও জলজ প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় অধ্যাপক ড. আহমেদ মুস্তফা এবং টিমোথি জে. ব্রুস গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পারডিউ বিশ্ববিদ্যালয় ফোর্ট ওয়েন ও অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি কার্যকর সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। উপাচার্য এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।
উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে তা গবেষণা, উদ্ভাবন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দেশের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
সাক্ষাৎ শেষে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদেশি অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা মাঠ, আধুনিক গবেষণাগার এবং ফিশারিজ অনুষদ পরিদর্শন করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অবকাঠামো, চলমান বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
