
বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকার। তবে গত পাঁচ মাসে এই বন্দর দিয়ে মোট ২১ হাজার ৩৬০ টন চাল আমদানি হয়েছে। সর্বশেষ চালের চালানটি আসে ১৩ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে, যার পরিমাণ ছিল ২০০ টন।
দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার আমদানির সুযোগ দিয়েছিল। গত বছরের ১৭ নভেম্বর ৯২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ ৭৩ হাজার টন সেদ্ধ চাল এবং এক লাখ ১৯ হাজার টন আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রথম দফায় আমদানির সময়সীমা শেষ হয় ২২ ডিসেম্বর। কিন্তু আশানুরূপ পরিমাণে চাল আমদানি না হওয়ায় সময় চার দফায় বাড়ানো হয়। সর্বশেষ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এরপর ১৬ এপ্রিল থেকে বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
আগত চালের মধ্যে মোটা চাল প্রতি টন ৩৯০ থেকে ৪০০ মার্কিন ডলার এবং চিকন চাল প্রতি টন ৪৫০ থেকে ৪৭০ ডলার দরে আমদানি করা হয়। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এসব চাল শুল্কমুক্ত সুবিধায় খালাস দেয়। তবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আর কোনো চাল আমদানি করা যাবে না।
আমদানিকারক আলাউদ্দিন বলেন, “সরকারি চুক্তি অনুযায়ী চাল আমদানির শেষ সময় ছিল ১৫ এপ্রিল। এখনো ওপারে আমার এক হাজার টন চাল বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।”
আরেক আমদানিকারক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, “বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি করা মোটা চাল পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ৫৩ টাকা এবং চিকন চাল ৬৫ থেকে ৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।”
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, “খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। নতুন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আমদানি বন্ধই থাকবে।”
বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মো. কামরুজ্জামান বলেন, “চাল আমদানির চতুর্থ দফা সময়সীমা শেষ হয়েছে ১৫ এপ্রিল। এই পাঁচ মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে মোট ২১ হাজার ৩৬০ টন চাল আমদানি হয়েছে।”
- Latest Posts by বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক
-
গাজীপুরের আলোচিত ঝর্ণা হত্যা: আসামির বয়স জালিয়াতি করে কিশোর সাজানোর চেষ্টা
- -
“উদ্ভাবন সুরক্ষায় মেধাস্বত্ব অপরিহার্য” — গাকৃবি ভিসি
- -
পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আইনজীবী সোলেমান হক নিহত
- All Posts
