কাপাসিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক

print news

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সাংবাদিকদের সংগঠন কাপাসিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয় কাপাসিয়া সুবেদ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে তারা সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিনুর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এম. এ. আবুল হাসেম চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ এবং কাপাসিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির ফরহাত হোসেন মোল্লা।

এ ছাড়া কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. এম. কামাল, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হুদা লিটন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন শামীমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কাপাসিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সফিকুল আলম সবুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সহসভাপতি আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ, সহসাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মাহবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মিজান খান শিমুল, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক বাদশা আব্দুল্লাহ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এখলাস উদ্দিন, প্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নান্না, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আনিসুর রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি স্থানীয় সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা একসঙ্গে ইফতার করেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন।