
বেনাপোল প্রতিনিধি : মালয়েশিয়ায় ক্রেন দূর্ঘটনায় আসাদুল ইসলাম (৪০) নামে এক বাংলাদেশি নির্মান শ্রমিক নিহত হয়েছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার মালয়েশিয়ার হাঙ্গেরির সুবাং শহরের একটি নির্মাধীন ভবনে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আসাদুল যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের কৃষক হাতেম আলী সর্দারের ছেলে। প্রবাসী ছেলেকে হারিয়ে পিতা হাতেম আলী নির্বাক হয়ে পড়েছে। শোকে কিছুই বলতে পারছেন না। এলাকাও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আসাদুল ৮ বছর পূর্বে প্রবাস জীবন শুরু করেন। প্রবাস জীবনের শুরু থেকে তিনি কনস্ট্রাশনের কাজ করতেন। প্রতি দিনের ন্যায় ঘটনার দিন সকালে নির্ধারিত ভবনে কাজের সময় একটি ক্রেনের হলার পরিবর্তন করতে গেলে ক্রেনের খিল খুলে একটি লোহার অংশ তার মাথার উপর পড়লে আসাদুল ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহত আসাদুলের নিকটতম সহকর্মী (পাকিস্তানি নাগরিক) মালয়েশিয়া প্রবাসী আবু সুফিয়ান বলেন, এ ঘটনায় আমি মর্মাহত। আমি ঘটনার সময় তার পাশে ছিলাম, অল্পের জন্য আমি বেচে গেছি। নিহতের পরিবারের খবর নিয়েছি। এখন আসাদুলের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রস্তুুতি চলছে।
নিহত আসাদুলের পিতা হাতেম আলী জানান, আমার ছেলের মরদেহ যাতে দ্রæত দেশে ফিরিয়ে আনা হয় সে ব্যাপারে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি। পরিবারের সবাই তার মরদেহ এক নজর দেখার জন্য উদগ্রিব হয়ে আছে।
বাগআঁচড়া ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের ইউপি সদস্য মোজাম গাজি জানান, আসাদুল ইসলাম অনেক দিন যাবত মালয়েশিয়ার কাজ করতো। আজ সোমবার বিকেলে তার মৃত্যুর সংবাদ জেনেছি। তার মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রবাসীরা চেস্টা চালাচ্ছে। আমরাও সরকারের কাছে তার মরদেহ দ্রæত ফেরত আনার দাবি জানাচ্ছি।
বেনাপোল প্রতিনিধি :
মালয়েশিয়ায় ক্রেন দূর্ঘটনায় আসাদুল ইসলাম (৪০) নামে এক বাংলাদেশি নির্মান শ্রমিক নিহত হয়েছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার মালয়েশিয়ার হাঙ্গেরির সুবাং শহরের একটি নির্মাধীন ভবনে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আসাদুল যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের কৃষক হাতেম আলী সর্দারের ছেলে। প্রবাসী ছেলেকে হারিয়ে পিতা হাতেম আলী নির্বাক হয়ে পড়েছে। শোকে কিছুই বলতে পারছেন না। এলাকাও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আসাদুল ৮ বছর পূর্বে প্রবাস জীবন শুরু করেন। প্রবাস জীবনের শুরু থেকে তিনি কনস্ট্রাশনের কাজ করতেন। প্রতি দিনের ন্যায় ঘটনার দিন সকালে নির্ধারিত ভবনে কাজের সময় একটি ক্রেনের হলার পরিবর্তন করতে গেলে ক্রেনের খিল খুলে একটি লোহার অংশ তার মাথার উপর পড়লে আসাদুল ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহত আসাদুলের নিকটতম সহকর্মী (পাকিস্তানি নাগরিক) মালয়েশিয়া প্রবাসী আবু সুফিয়ান বলেন, এ ঘটনায় আমি মর্মাহত। আমি ঘটনার সময় তার পাশে ছিলাম, অল্পের জন্য আমি বেচে গেছি। নিহতের পরিবারের খবর নিয়েছি। এখন আসাদুলের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রস্তুুতি চলছে।
নিহত আসাদুলের পিতা হাতেম আলী জানান, আমার ছেলের মরদেহ যাতে দ্রæত দেশে ফিরিয়ে আনা হয় সে ব্যাপারে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি। পরিবারের সবাই তার মরদেহ এক নজর দেখার জন্য উদগ্রিব হয়ে আছে।
বাগআঁচড়া ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের ইউপি সদস্য মোজাম গাজি জানান, আসাদুল ইসলাম অনেক দিন যাবত মালয়েশিয়ার কাজ করতো। আজ সোমবার বিকেলে তার মৃত্যুর সংবাদ জেনেছি। তার মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রবাসীরা চেস্টা চালাচ্ছে। আমরাও সরকারের কাছে তার মরদেহ দ্রæত ফেরত আনার দাবি জানাচ্ছি।
- Latest Posts by বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক
-
গাজীপুরের আলোচিত ঝর্ণা হত্যা: আসামির বয়স জালিয়াতি করে কিশোর সাজানোর চেষ্টা
- -
“উদ্ভাবন সুরক্ষায় মেধাস্বত্ব অপরিহার্য” — গাকৃবি ভিসি
- -
পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আইনজীবী সোলেমান হক নিহত
- All Posts
