
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বুধবার বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন,“আমরা তার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাই। তার জন্য প্রয়োজনীয় যে নিরাপত্তা, সে বিষয়ে আমাদের সঙ্গে তার দলের আলাপ হচ্ছে। বিএনপি যতটুকু নিরাপত্তা চাচ্ছে, তাদের সঙ্গে কথা বলেই সেগুলো দেখভাল করা হচ্ছে।
আমাদের পক্ষ থেকে তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে।
ময়মনসিংহে পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, “আমরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। এই ঘটনায় যারা জড়িত ছিলেন, তাদের ভিডিও ও ভিজ্যুয়াল ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।
শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, “সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত করছে। সব নিরাপত্তা সংস্থা এ বিষয়ে কাজ করছে।
মূল সন্দেহভাজন না হলেও আশপাশে যারা ছিলেন, তাদের অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্রও পেয়েছি।
হাদির মৃত্যুর খবরে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, “এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ও ভিজ্যুয়াল ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। অনেকের কাছ থেকে আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে।
“তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছে। আরও যাদের শনাক্ত করা যাবে, সবাইকেই আইনের আওতায় আনা হবে।