
মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় নিখোঁজের ৮ দিন পর মো. রিফাত (১২) নামের এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার চেচুয়া পানিগড়িয়া এলাকার একটি সরিষাক্ষেতের পাশ থেকে মাটিতে পুঁতে রাখা রিফাতের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়।
রিফাত উপজেলার বড়গ্রাম ইউনিয়নের মির্জাকান্দা এলাকার বাসিন্দা মফিজুল ইসলামের ছেলে। সে কাতলসা শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা, নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রিফাত লেখাপড়ার পাশাপাশি পরিবারের অভাব দূর করতে মাঝেমধ্যে ভ্যান ভাড়া নিয়ে নিজেই চালাত এবং বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করত। চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি (সোমবার) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাশের গ্রামের মনির নামের এক ব্যক্তি তাকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন। তিনি জানান, একটি পিকনিকের সাউন্ড সিস্টেম আনতে হবে। এ কারণে রিফাত ভ্যান নিয়ে বের হয়।
কিন্তু রাত পেরিয়ে গেলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন মুক্তাগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরে নিখোঁজের ৮ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রিফাতের প্রতিবেশী মিরাজ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চেচুয়া পানিগড়িয়া এলাকার সরিষাক্ষেতের পাশ থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসী ও পুলিশের ধারণা, রিফাতের ভ্যান ছিনতাই করতেই দুর্বৃত্তরা তাকে গলা কেটে হত্যা করে এবং লাশ মাটিতে পুঁতে রাখে।
রিফাতের বড় ভাই আরিফ হোসেন বলেন, "২৭ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাশের এলাকার মনির নামের এক ব্যক্তি সাউন্ড সিস্টেম আনার কথা বলে রিফাতকে ফোন করে ভ্যানসহ ডেকে নেয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ।